কোনো স্টুডিও বা অফিস ছাড়াই বেডরুমে বসে তৈরি হওয়া এক গেমের অবিশ্বাস্য গল্প!


আমাদের সবার প্রিয় Hill Climb Racing খেলেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন।
আমি এই গেমে আসক্ত ছিলাম একসময়
কিন্তু এই গেমের পেছনের গল্পটি যেকোনো সিনেমাকেও হার মানায়।
গল্পটি টনি ফিঙ্গাররুস-এর (Toni Fingerroos):
ফিনল্যান্ডের এক ছোট শহরে নিজের বেডরুমে বসে গেমটি ডেভেলপ করেন টনি। সেই সময় তিনি ঋণের চাপে ছিলেন, এর আগে বেশ কিছু ব্যবসায় লসও করেছিলেন। কিন্তু হাল ছাড়েননি!
তৈরির পিছনের গল্প:
দিনে প্রায় ১৬ ঘণ্টা কাজ করে মাত্র ২-৩ মাসে গেমটি তৈরি করেন।
গ্রাফিক্স ছিল একদম সাধারণ, সাউন্ডও ছিল বেসিক।
২০১২ সালে রিলিজের পর কোনো বড় মার্কেটিং ছাড়াই স্রেফ ইউনিক ‘Physics-based’ গেমপ্লের কারণে এটি বিশ্বজুড়ে ভাইরাল হয়ে যায়।
কিন্তু এই গেমের পেছনের গল্পটি যেকোনো সিনেমাকেও হার মানায়।
গল্পটি টনি ফিঙ্গাররুস-এর (Toni Fingerroos):ফিনল্যান্ডের এক ছোট শহরে নিজের বেডরুমে বসে গেমটি ডেভেলপ করেন টনি। সেই সময় তিনি ঋণের চাপে ছিলেন, এর আগে বেশ কিছু ব্যবসায় লসও করেছিলেন। কিন্তু হাল ছাড়েননি!
তৈরির পিছনের গল্প:
দিনে প্রায় ১৬ ঘণ্টা কাজ করে মাত্র ২-৩ মাসে গেমটি তৈরি করেন।
গ্রাফিক্স ছিল একদম সাধারণ, সাউন্ডও ছিল বেসিক।
২০১২ সালে রিলিজের পর কোনো বড় মার্কেটিং ছাড়াই স্রেফ ইউনিক ‘Physics-based’ গেমপ্লের কারণে এটি বিশ্বজুড়ে ভাইরাল হয়ে যায়।
কেন এত জনপ্রিয়?গ্যাসলিন আর ব্রেকের সেই ব্যালেন্স রাখা, বিল নিউটনকে নিয়ে পাহাড়ি পথে কয়েন জমানো—এই সিম্পল কিন্তু আসক্তিকর মেকানিক্সই গেমটিকে বিলিয়ন ডাউনলোডের মাইলফলকে পৌঁছে দিয়েছিল।
বড় বাজেট বা বিশাল টিম না থাকলেও, শুধুমাত্র একটি ইউনিক আইডিয়া আর জেদ থাকলে যে বিশ্ব জয় করা সম্ভব, তার সেরা উদাহরণ Hill Climb Racing।
আপনার ফোনে কি এখনো গেমটি আছে? কমেন্টে জানান!


Post a Comment